শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় ৯ জন শিক্ষার্থীকে পাগড়ি প্রদান করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ হাফেজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ বিজয়ী ও ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের এবং ২০২৫ সালে নুরানী তালিমুল কোরআন বোর্ডের তৃতীয় শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় টপ টেনে স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও পুরস্কার দেওয়া হয়।
পাগড়িপ্রাপ্ত হাফেজরা হলেন- খালেদ সাইফুল্লাহ, মুশফিকুর রহমান সিফাত, মাহদি হাসান, আব্দুর রহমান আসাদ, আব্দুল্লাহ আল আইমান, মো. এলমান হোসেন, ইসমাঈল হোসেন মিনহাজ, আব্দুর রহমান শুভ ও নুর মো. সাব্বির।
বাংলাদেশ হাফেজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- আব্দুল্লাহ আল আইমান, ইসমাঈল হোসেন মিনহাজ, মো. মাহদি হাসান, মো. খালেদ সাইফুল্লাহ, আব্দুর রহমান শুভ, মো. এলমান হোসেন এবং সাধারণ গ্রেডে মুশফিকুর রহমান সিফাত ও নুর মোহাম্মদ সাব্বির।
অন্যদিকে, নুরানী তালিমুল কোরআন বোর্ডের তৃতীয় শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় টপ টেনে স্থান অর্জন করে পুরস্কার পেয়েছে মাহাদিয়া সুলতানা (৭ম), সামিয়া আফরিন (৭ম), সাদ বিন তাহের (৯ম) ও আনিশা তাবাসসুম সাবিহা (১০ম)।
মাহফিলে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন, ঢাকা বারিধারা মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস আবু মুসা কাসেমী, গাজীমুড়া কামিল মাদ্রাসার হেড মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল হালিম এবং চৌমুহনী জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়ার শিক্ষক মুফতি মুহসিন বিন কাসেম।
শাহরাস্তির রাগৈ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুর মোহাম্মদ আশ্রাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মাদ্রাসার সভাপতি ও পৃষ্ঠপোষক শহীদ কায়সার বাবলু। প্রধান মেহমান ছিলেন, কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন। বিশেষ মেহমান ছিলেন, গাজীমুড়া সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মো. রাফসানুল ইসলাম।
আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন, দৌলতগঞ্জ গাজীমুড়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হান্নান, উপাধ্যক্ষ ড. মো. আমিনুল ইসলাম, মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবুল খায়ের, আল-আবরার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবু ইউসুফ, চিকিৎসক ডা. কবির আহমেদ, ব্যবসায়ী মো. মঞ্জুরুল আলম বাচ্চু এবং মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সহসভাপতি প্রফেসর মাওলানা আশ্রাফুজ্জামান মোল্লা।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. নুরুল আমিন।







.jpg)



