মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুফতি এনামুল হক হক্কানী। তিনি তাঁর বক্তব্যে লালন অনুসারীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাঁদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবি জানান।
মুফতি এনামুল হক হক্কানী বলেন, “সরকারি অনুমোদন ও পৃষ্ঠপোষকতায় লালন অনুসারীদের বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা চলছে বলে আমরা মনে করি। লালন অনুসারীরা ইসলাম ও ধর্মীয় বিধিবিধান সম্পর্কে কী অবস্থান ধারণ করেন, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, লালন অনুসারীদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে তাঁর আপত্তি রয়েছে। তাঁদের কার্যক্রম ও বিশ্বাসের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। এ সময় তিনি লালনকেন্দ্রিক বিভিন্ন আয়োজনের অনুমতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
মানববন্ধনে মেলায় মাদকদ্রব্যের ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ তুলে মুফতি এনামুল হক হক্কানী বলেন, “সারা দেশে মদ, গাঁজাসহ মাদকদ্রব্য অবৈধ হলে লালনের মেলায় কীভাবে মদ-গাঁজার আড্ডা বসে? প্রশাসনের কাছে এ প্রশ্নের জবাব চাই। মাদকদ্রব্যের ব্যবহার ও বেচাকেনার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।”
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা নুরুল হুদা আনসারী, মাওলানা এজাহার, মাওলানা ইব্রাহিম, মাওলানা আবু মুসা এবং বারপাড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধন থেকে লালন অনুসারীদের ধর্মীয় পরিচয়ের বিষয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে অবস্থান স্পষ্ট করা এবং লালনকেন্দ্রিক মেলায় মাদকদ্রব্যের ব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তের দাবি জানানো হয়।
প্রকাশনা-সংক্রান্ত নোট: লালন অনুসারীদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মেলায় মাদক ব্যবহারের বিষয়ে উত্থাপিত বক্তব্যগুলো বক্তার দাবি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।







.jpg)



