Featured

Type Here to Get Search Results !

‘ভুয়া ডাক্তার’ অপপ্রচার, হাইকোর্টের রায়ের দাবি ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান দেলোয়ারের

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার লাকসামের মুদাফরগঞ্জে চিকিৎসাসেবা দেওয়া ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান মো. দেলোয়ার হোসেনকে ‘ভুয়া ডাক্তার’ আখ্যা দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। সংবাদটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে নিজের চিকিৎসাসেবার বৈধতার পক্ষে উচ্চ আদালতের রায় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) মুদাফরগঞ্জ বাজারের মেডিকেয়ার ডাইগনস্টিক সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, তিনি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে দেশে-বিদেশে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। নিজেকে তিনি ‘ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান’ ও বিকল্প ধারার চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন ছাড়া নামের আগে ‘ডা.’ ব্যবহারের বিষয়ে জটিলতা দেখা দিলে বিকল্প ধারার চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ৫৩৫/২০১৯ দায়ের করা হয়। ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় দেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেলোয়ার হোসেনের দাবি, ওই রায়ে বিকল্প ধারার চিকিৎসা পেশাজীবীদের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নামের আগে ‘ডা.’ ব্যবহার না করে ‘ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান’ পরিচয় ব্যবহারের বিষয়টি বলা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইন শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয় এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তা কার্যকর থাকবে বলে আদেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, আদালতের নথি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে তিনি মুদাফরগঞ্জে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। তবে কিছুদিন আগে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নির্দেশনায় স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মিল্টন কতিপয় সাংবাদিকের ‘প্ররোচনায়’ আইনবহির্ভূতভাবে তার চেম্বার বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় তিনি হাইকোর্টের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন বলেও জানান। তার দাবি, লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পর ওই কর্মকর্তা তার আইনজীবীকে ফোন করে চেম্বারে তালা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, তার কাছে প্রয়োজনীয় আইনি নথি ও প্রজ্ঞাপন থাকা সত্ত্বেও একটি মহলের ইঙ্গিতে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে অপপ্রচার বন্ধে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় আমরা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

এ বিষয়ে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিয়া বিনতে আলম জানান, আমরা সাময়িকভাবে চেম্বার বন্ধ রেখে তাঁর বৈধ কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেছি। কিন্তু তিনি সকল কাগজপত্র দেখাননি। বৈধ কাগজপত্র থাকলে তার প্র্যাকটিসে কোন বাধা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রভাষক মোঃ কামাল হোসেন পাটোয়ারী, মোঃ আবু হানিফ, মাওলানা বিল্লাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলামসহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মকর্তা ও বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Top Post Ad

আলমাছ ষ্টীল এন্ড স্টান্ডার্ড ফার্ণিচার