Featured

Type Here to Get Search Results !

শপথ নিয়ে যা বললেন ড. ইউনূস

ডেস্ক নিউজ: শপথ গ্রহণের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া তাৎক্ষণিক বক্তব্যে বলেছেন, আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রত্যেকে তার নিজ নিজ কর্তব্য পালনের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্বাধীনতাকে উপভোগ করবেন।

তিনি বলেন, আমি জাতির পক্ষ থেকে প্রত্যেককে নিজ নিজ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি। দেশের সব মানুষকে স্বাধীন, নির্ভয়, নিরুদ্বেগের নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য আমাদের ছাত্র শহিদরা প্রাণ দিয়েছেন। এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট সরকার দেশের প্রত্যেকের আকাক্সক্ষা পূরণের অধিকার নিশ্চিত করবে। অরাজকতার বিষবাষ্প এখন যেই ছড়াবে, বিজয়ী ছাত্র-জনতাসহ মুক্ত মানুষের এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণ শক্তি দিয়ে তাকে ব্যর্থ করে দেবে।

তিনি আরও বলেন, নিষ্ঠুর স্বৈরাচারী সরকার দূর হয়ে গেছে। কাল (শুক্রবার) সূর্য উদয়ের সঙ্গে সঙ্গে গণতন্ত্রের, সুবিচারের, মানবাধিকারের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য সবার স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন ধারণের সচেষ্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য ও সহমর্মী পরশ দলমত নির্বিশেষে সবাই উপভোগ করবেন। এটাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের সেই লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করেন। সারা বিশ্ব আজ অবাক হয়ে বলছে, শাবাশ বাংলাদেশ। শাবাশ বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা।

তিনি বলেন, আমরা এই অর্জনকে আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমাদের ছাত্র-জনতার জন্য কিছুই অসম্ভব নয়। তরুণরা অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। তারা সেজন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি। ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকি, সবার জন্য মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারি, আমাদের বিজয় অবশ্যই হবে। মহান আল্লাহ আমাদের সহায়ক।

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন যারা:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ জন উপদেষ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ১৩ উপদেষ্টাকে শপথ বাক্য পাঠ করান, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বিধান রঞ্জন, সুপ্রদীপ চাকমা ও ফারুকী আজম ঢাকার বাইরে থাকায় শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি।

শপথ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং পেশাজীবীরা অংশ নেন। তবে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্র ১৪ দলের কাউকে দেখা যায়নি। শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রায় ৫০০ জন অতিথি।

দরবার হলে প্রথম সারির মাঝখানে বসেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার বাম দিকে বসেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, এরপর বসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরপর অন্তবর্তী সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টারা বসেন।

প্রধান উপদেষ্টার ডান দিকে বসেন সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান হাসান মাহমুদ খাঁন।

এরপর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ।

দ্বিতীয় সারিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবেদীন, শামসুজ্জামান দুদু, আমানউল্লাহ আমান, মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বসতে দেখা যায়।

একই সারিতে সিপিবির নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, মোস্তাক হোসেন, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, বাসদের খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, সাম্যবাদী দলের (১৪ দল বিরোধী অংশ) সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

দ্বিতীয় সারিতে নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানকে দেখা গেছে। হুইল চেয়ারে করে এ সারিতে বসেন বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন। তৃতীয় সারিতে বসেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা। শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে দেখা যায়নি। তার আসনটি শূন্য ছিল।

অপরদিকে বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে প্রবেশ করতে পারেননি। তবে দলটির মহাসচিব মেজর অব. আব্দুল মান্নান শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

একনজরে উপদেষ্টাবৃন্দ:

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উপদেষ্টারা হলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল, মানবাধিকারকর্মী আদিলুর রহমান খান, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন, পরিবেশ আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, নির্বাচন পর্যবেক্ষক শারমিন মুর্শিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকী আজম, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রি. জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, চিকিৎসক বিধান রঞ্জন, ইসলামি চিন্তাবিদ আ ফ ম খালিদ হাসান, উন্নয়নকর্মী ফরিদা আখতার, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরজাহান বেগম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

সচিব জানান, বিধান রঞ্জন, সুপ্রদীপ চাকমা ও ফারুকী আজম ঢাকার বাইরে থাকায় এ শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।

উপদেষ্টাদের পরিচয়:

শেখ হাসিনার পদত্যাগের তিন দিন পর বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) গঠিত হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার সঙ্গে রয়েছেন আরও ১৬ জন উপদেষ্টা। তাদের মধ্যে অধিকাংশই রাজনৈতিক ব্যক্তি নন। কিন্তু এসব উপদেষ্টাদের প্রত্যেকেই তাদের অবস্থানে সুনামের সঙ্গে পরিচিত। প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা বর্তমানে কে কী করছেন, তা তুলে ধরা হলো।


ড. মুহাম্মদ ইউনূস

গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শিক্ষকতা পেশায় থাকা অবস্থায়ই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন গ্রামীণ ব্যাংক। পরে ওই ব্যাংককে সঙ্গে নিয়ে শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।

শুধু তাই নয়, বিশ্বের ২৪টি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬১টি সম্মানসূচক ডিগ্রি পেয়েছেন তিনি। তার ঝুলিতে আছে ৩৩টি দেশের ১৩৬টি সম্মাননা। এর মধ্যে আছে ১০টি দেশের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। এখন পর্যন্ত নোবেল শান্তি পুরস্কার, ইউনাইটেড স্টেটস প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং ইউনাইটেড স্টেটস কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল পাওয়া মাত্র সাত ব্যক্তির মধ্যে তিনি একজন। এর বাইরেও তিনি বেশকিছু ইউরোপীয় দেশের রাজকীয় সম্মাননা পেয়েছেন। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বেও সুনাম কুড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিজ দেশেই গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ছিলেন কোণঠাসা। কর্তৃত্ব হারিয়েছিলেন নিজের প্রতিষ্ঠিত সেই গ্রামীণ ব্যাংকের।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

সালেহ উদ্দিন আহমেদ

বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নবম গভর্নর ছিলেন সালেহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি ২০০৫ সালের ১ মে গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন এবং ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন। ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর (দরিশ্রীরামপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

ড. আসিফ নজরুল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন ড. আসিফ নজরুল। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি লেখক, রাজনীতি-বিশ্লেষক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও কলামিস্ট হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। তাকে নিয়মিত সমসাময়িক বিষয় নিয়ে টক শোতে দেখা যায়।

আদিলুর রহমান খান

তিনি একজন আইনজীবী এবং সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে মানবাধিকার কর্মী হিসেবে পরিচিত আদিলুর রহমান খান। ১৯৯৪ সালে ‘অধিকার’ নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

এ এফ হাসান আরিফ

তিনি একজন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল। ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি, এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এ এফ হাসান আরিফ।

তৌহিদ হোসেন

তিনি বাংলাদেশের একজন সাবেক পররাষ্ট্র সচিব। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমির প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিলেন। ২০০৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২০০৯ সালের ৮ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন তিনি।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

তিনি একজন আইনজীবী এবং পরিবেশবিদ। পরিবেশকর্মী হিসেবে তিনি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মো. নাহিদ ইসলাম

মো. নাহিদ ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। তিনি সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনা করছেন। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। এরপর সেখান থেকে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ছাত্র অধিকার পরিষদের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে যোগ দেন।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। রাজধানীর নাখালপাড়া হোসাইন আলী হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের সঙ্গে রাজনীতি শুরু করেন। সর্বশেষ ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির সূচনার পর তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন

তিনি একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছিলেন। বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কমিশনার ছিলেন। এ ছাড়া তিনি কলাম লেখেন নিয়মিত।

সুপ্রদীপ চাকমা

সুপ্রদীপ চাকমা একজন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান। ২০২৩ সালে ২৪ জুলাই তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। মেক্সিকো ও ভিয়েতনামে রাষ্ট্রদূত ছিলেন সুপ্রদীপ চাকমা। এ ছাড়া রাবাত, ব্রাসেলস, আঙ্কারা এবং কলম্বোতে বাংলাদেশ মিশনেও তিনি বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন।

ফরিদা আখতার

বেসরকারি সংস্থা উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতিনির্ধারণী গবেষণা) নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার। পাশাপাশি তিনি একজন লেখক, গবেষক ও আন্দোলনকর্মী।

বিধান রঞ্জন রায়

বিধান রঞ্জন রায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক। তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগবিদ্যা বিভাগীয় প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি লেখালেখির সঙ্গেও জড়িত। 

আ ফ ম খালিদ হাসান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আ ফ ম খালিদ হাসান। পেশায় তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপক হিসেবে ছিলেন।

নূর জাহান বেগম

গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নুরজাহান বেগম।

শারমিন মুরশিদ

সমাজ কল্যাণ সংস্থা একটি অধিকারভিত্তিক সংগঠন ‘ব্রতী’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফারুক-ই-আজম

ফারুক-ই-আজম ‘বীর প্রতীক’ পদবির মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

Top Post Ad

আলমাছ ষ্টীল এন্ড স্টান্ডার্ড ফার্ণিচার