লাকসাম উপজেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক আব্দুর রহমান বাদলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক আবুল হাসেম মানু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লাকসাম পৌরসভা আমির মোঃ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের আমির হাফেজ জহিরুল ইসলাম, সেক্রেটারি জোবায়ের ফয়সাল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইব্রাহীম খলিল, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল হোসেন মিলন, পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন মুশুসহ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন এবং জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপজেলা ও পৌরসভা শাখার নেতা-কর্মীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল কালাম বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আমরা দখলদার স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদীদের কবল থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি।
তিনি ছাত্র-জনতা ও নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা কেউ নৈরাজ্য করবো না, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবো না, লুটপাট করবো না। বিএনপি-জামায়াত ভদ্রলোকের দল। বিগত দিনে যে লুটপাট ও নৈরাজ্য হয়েছে তা কিছু দুস্কৃতিকারী ও ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কাজ। আমরা আওয়ামী লীগের এ দুশ্চরিত্র ধারন করতে চাই না। বিগত দিনে আমরা পরিবহন ও বিভিন্ন খাতে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এমনকি প্রকল্পের টাকা মেরে খাইনি, বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করিনি। এতে আমরা মরে যাইনি। আগামীতেও আমরা এসব করবো না। দেশের ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ও তাদের মন্দির-গীর্জা-সম্পদ নিরাপদ থাকবে। আগামীতে বেকারদের কাজের সংস্থান, ব্যবসা ও শিল্প খাতসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়বো ইনশাআল্লাহ।
এদিকে, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে ভাংচুর-লুটপাট শুরু হলে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা লাকসাম থানাসহ উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির রক্ষায় পাহারা বসায়। এছাড়াও শান্তি মিছিলসহ মোটর শোভাযাত্রা বের করা হয়।







.jpg)


