রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে লাকসাম রেলওয়ে থানায় এসে নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগম মরদেহটি সনাক্ত করেন।
এর আগে, গত শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় একটি মালবাহী ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় তার পরনে লুঙ্গি, লাল-সাদা রঙের টি-শার্ট এবং নীল রঙের কাপড়ের জুতা ছিল। পরিচয় না পাওয়ায় প্রথম অবস্থায় তাকে অজ্ঞাত হিসেবে রাখা হয়েছিল।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে রফিকুল ইসলাম স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর থেকেই তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই একা একা বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতেন। এই কারণে তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো। তবে ঘটনার দিন অসাবধানতাবশত ঘরে তালা মারতে ভুলে যাওয়ায় তিনি সবার অলক্ষ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে লাকসাম চলে আসেন এবং এই দুর্ঘটনার শিকার হন।
লাকসাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন খোন্দকার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি ও আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।







.jpg)


