Featured

Type Here to Get Search Results !

চাঞ্চল্যকর সাইমন হত্যার রহস্য উদঘাটন, ২ আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার লাকসামে চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস শাহজাহান সাইমন (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল ওয়াদুদ মানিক (২৪) ও মোঃ সানাউল্লাহ (২৪) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত অটোরিকশা চালক শাহজাহান সাইমন মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে। গ্রেপ্তার আব্দুল ওয়াদুদ মানিক একই ইউনিয়নের গনিপুর চেয়ারম্যান বাড়ীর আমিনুল ইসলাম দুলালের ছেলে এবং মোঃ সানাউল্লাহ লাকসাম পৌরসভার পশ্চিমগাঁও পুরান বাজার এলাকার মৃত নুরু মিয়ার ছেলে।


থানা সূত্রে জানা যায়, মাদক সেবনকালে অটোরিক্সা চালক সাইমন ও মানিকের ঝগড়া হয়। এরপর সাইমনকে 'শিক্ষা দেয়ার' জন্য মানিক তার পূর্ব পরিচিত সানাউল্লাহকে নিয়ে পরিকল্পনা করে গত ৩১ আগস্ট দুপুরে ৫০০ টাকা ভাড়ায় মনোহরগঞ্জের বিপুলাসার বাজার হতে লাকসাম সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে সানাউল্লাহর সাথে দেখা করে মানিক গেইটের বাইরে এসে সাইমনকে হাসপাতালের ভেতরে যাওয়ার জন্য বলে।

পরে সানাউল্লাহ সাইমনকে মাদক সেবনের প্রস্তাব দেয় এবং দুজনের বিষয়ে মিমাংসা করে দিবে বলে নির্জন স্থানে হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে দুজনে মিলে সাইমনকে পিটিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে লাশ কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রেখে সটকে পড়ে। পরে অটোরিকশাটি উত্তরকুল এলাকায় ৩৪ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়ে সাইমনের মোবাইল ও ১৪ হাজার টাকা নেয় মানিক আর ২০ হাজার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয় সানাউল্লাহ।

লাকসাম থানার ওসি সাহাবুদ্দিন খান জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা ঘটনায় জড়িত মানিককে সনাক্ত করে ঢাকার কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রীজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করি। পরে তার দেয়া তথ্য মতে নিহত সাইমনের মোবাইল ও অটোরিকশা উদ্ধার এবং সানাউল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে শাহজাহান সাইমনের মূখ থেতলানো ও গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তার পিতা আব্দুল হান্নান ও মাতা নুরজাহান বেগম লাশ সনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে লাকসাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

Top Post Ad

আলমাছ ষ্টীল এন্ড স্টান্ডার্ড ফার্ণিচার