নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝুঁকি এড়াতে নিজের বাড়ি ছেড়ে বরের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কনের বাবা-মা। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ওই বাড়িতে হাজির হন এমপি মো. আবুল কালাম। ভেস্তে যায় সকল পরিকল্পনা, সকল প্রস্তুতি।
ঘটনাটি ঘটেছে, শুক্রবার (১ মে) লাকসাম উপজেলার বাকই দক্ষিণ ইউনিয়নের দেবপুর গ্রামে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, জ্যোতিঃপাল মহাথেরু উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অর্পিতা রানী দেবনাথের সাথে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় বরের বাড়িতে বিয়ে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি জানতে পেরে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস সুলতানা, পুরোহিত এবং কনের পিতা বিশ্বনাথ দেবের সাথে কথা বলে বিয়ে বন্ধ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কনে অর্পিতা রানী কিছুতেই মানতে রাজি না। তাদের দুই বছরের প্রেমের সম্পর্কের স্বীকৃতি না দিলে আত্মহত্যার হুমকি দেয় সে। খবর পেয়ে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস সুলতানা এবং লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ মাকসুদ আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে বাকই ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে বুঝিয়ে বাল্যবিবাহের তৎপরতা বন্ধ করার ব্যাবস্থা নেন এবং মেয়েটির লেখা পড়ার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দেন। এ সময়ে এমপি আবুল কালাম বাল্যবিবাহকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করতে প্রশাস,ন দলীয় নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় সমাজপতিদের নির্দেশ দেন।






.jpg)


