সমিতি সূত্রে জানা যায়, সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। এর মধ্যে মধ্যাহ্নভোজের জন্য ৪৫ মিনিটের বিরতি দেওয়া হয়। এবারের নির্বাচনে তিনটি প্যানেলের মোট ৩৪ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্যানেলগুলোর মধ্যে-বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত “মো. সহিদ উল্লাহ-মো. মাহাবুবুল হক খন্দকার” প্যানেল, বিএনপির একাংশের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের “মো. ইউসুফ আলী-তৌফিক আহমেদ চৌধুরী (আকাশ)” প্যানেল এবং নিরপেক্ষ “ফারুক–জামান” পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
নির্বাচনে মোট ১,২৮৭ জন ভোটারের মধ্যে ১,২৫৩ জন আইনজীবী গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের প্রার্থীরা নিজেদের বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় সকল প্রার্থী ও আইনজীবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার প্রশংসা করেন।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ভোট গণনা শুরু হবে এবং রাতভর গণনা শেষে শুক্রবার ফলাফল ঘোষণা করা হবে।







.jpg)


