ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনের দুটি উপজেলার ১৩৪টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৭৮। লাকসামে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৬৪ ভোটের মাঝে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩। শতকরা হারে ৪৬.০২ শতাংশ। মনোহরগঞ্জে ২ লাখ ২৪ হাজার ৮ ভোটের মাঝে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭০। শতকরা হারে ৬২.৯৮ শতাংশ। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৬ হাজার ৯৬৩। তন্মধ্যে লাকসামে ৩ হাজার ১৭৬ ও মনোহরগঞ্জে ৩ হাজার ৭৮৭ ভোট। লাকসামে বৈধ ভোট ১ লাখ ৮ হাজার ১৭ ও মনোহরগঞ্জে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৩।
এ আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের মাঝে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সেলিম মাহমুদ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৬,৫১৯ ভোট (লাকসামে ১৪৭৬, মনোহরগঞ্জে ৫০৪৩), ইসলামীক ফ্রন্টের আবুবকর চেয়ার প্রতীকে পেয়েছেন ৩,১৫২ ভোট (লাকসামে ২০৪৩, মনোহরগঞ্জে ১১০৯), সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ ভোট (লাকসামে ৩৭, মনোহরগঞ্জে ৫৬), জাতীয় পার্টির মোঃ গোলাম মোস্তফা লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭৭ ভোট (লাকসামে ৪৬৮, মনোহরগঞ্জে ৫০৯), বিএনপিকে সমর্থন দেয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩২২ ভোট (লাকসামে ১৩৭, মনোহরগঞ্জে ১৮৫), আবুল কাশেম হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ২৭৮ ভোট (লাকসামে ১২৮, মনোহরগঞ্জে ১৫০)।
এদিকে, নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে ৬ প্রার্থীর।
উপজেলা হলরুমে আয়োজিত ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রে কুমিল্লা-৯ আসনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার নার্গিস সুলতানা মোঃ আবুল কালামকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, ভোটের আগে থেকেই লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বিপুল অঙ্কের কালো টাকার বিনিময়ে ভোট কেনা, ভোটারদের হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রভাব বিস্তার, পেশি শক্তির প্রদর্শন ও জাল ভোটসহ প্রশাসনের একপেশে ভূমিকা পালনের অভিযোগ তুলেছেন বিজিত প্রার্থী।







.jpg)


