নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার লাকসামে অটোরিকশা চালক মোরশেদ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। মোরশেদের অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার পর শ্রীয়াং মসজিদের টয়লেটে মরদেহ ফেলে যায় দুর্বৃত্ত।
নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের পর ছিনতাই হওয়া মোরশেদের অটোরিকশাটি কুমিল্লার কোতয়ালী থানার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে উদ্ধার করে লাকসাম থানা পুলিশ। আর ঘটনার মূল আসামি মো. হাবিব ওরফে সবুজকে (৩১) ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হাবিব ওরফে সবুজ কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মান্দারগাঁও পশ্চিম পাড়ার মিজি বাড়ির মৃত আনিছ মিয়ার ছেলে।
নিহত মোরশেদ আলম (৩১) পেশায় অটোরিকশা চালক। সে একই উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের ডাবুরিয়া গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে।
লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকসুদ আহাম্মদ জানান, ঈদের পরদিন গত ২২ মার্চ (রোববার) দিবাগত রাতে লাকসাম উপজেলার মুদাফরগঞ্জ (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শ্রীয়াং মিয়াজী বাড়ি জামে মসজিদের টয়লেট থেকে গলায় গামছা পেঁচানো মোরশেদ আলমের (২৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল করে পরদিন ২৩ মার্চ (সোমবার) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, মোরশেদকে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাই করে হাবিব ওরফে সবুজ। এ ঘটনায় ২৮ মার্চ রাতে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ওসি মাকছুদ আহম্মেদের নেতৃত্বে, তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মংছাই মার্মাসহ পুলিশের একটি দল ঢাকার আশুলিয়া থানার মধ্য ডেনদাবর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাবিবকে তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করে। পরদিন কুমিল্লার আদালতে ১৬৪ ধারায় হাবিব তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। পরে আদালত হাবিবকে কারাগারে পাঠায়।
লাকসাম থানার ওসি মাকছুদ আহম্মেদ বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






.jpg)


