Featured

Type Here to Get Search Results !

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফুর রহমানের দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ লুৎফুর রহমানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সোমবার (১৩ এপ্রিল) সম্পন্ন হয়েছে। 

ঐদিন সকালে মরহুমের গ্রামের বাড়ি রাজাপুরে জানাযা পূর্বে লাকসাম উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ লাকসাম কমান্ড কাউন্সিল মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনানীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কফিনে জাতীয় পতাকায় আবৃত, পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং গার্ড অব অনার প্রদান করেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নার্গিস সুলতানা, লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকসুদ আহাম্মদ, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ লাকসাম কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী চেয়ারম্যান, সাবেক কমান্ডার মো. আবদুল বারী মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আলী আহাম্মদ মোল্লা, মাস্টার মো. সফিকুর রহমান, মো. নুরুল ইসলাম মনি, মো.আবদুল মতিন, মো. আবুল বাশার, মো. সামছুল ইসলাম, মো. রবিউল হোসেন, অমূল্য চন্দ্র দাস, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার মো. শাহজাহান চেয়ারম্যান, মো. আবদুল কুদ্দুস, মো. মোক্তার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা মো. খলিলুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সাইদুল আল আমিন, অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ওইদিন সকাল ৯টায় মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা রাজাপুর দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে এবং দ্বিতীয় নামাজে জানাযা সকাল ১০টায় নিজ বাড়িতে (খিলা রেলওয়ে স্টেশনের উত্তর পাশে) অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা অনুষ্ঠান শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সৈয়দ লুৎফুর রহমান মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ জনিত কারণে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানী ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে, দুই ভাই, তিন বোন, আত্নীয়জনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, সৈয়দ লুৎফুর রহমান উপজেলার রাজাপুর দরবার শরীফের পীর সাহেব ক্বেবলা শাহসূফি হযরত মাওলানা সৈয়দ শাহ্ অলি উল্লাহ রাজাপুরীর (রহঃ) দৌহিত্র।

সৈয়দ লুৎফুর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এক সময় জাসদ ছাত্রলীগের কুমিল্লা জেলা সভাপতি তৎপরবর্তীতে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরি পরিষদের নেতৃত্বেও ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে তৎকালীন সরকার হুলিয়া জারি করেন এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাভোগ করেন।

সৈয়দ লুৎফুর রহমান বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ৮০'র দশকে বৃহত্তর লাকসাম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন

Top Post Ad

আলমাছ ষ্টীল এন্ড স্টান্ডার্ড ফার্ণিচার